সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৬

আমার দুই চোখে দুই নদী- সামিনা চৌধুরী

 আমার দুই চোখে দুই নদী....
তুমি দু'হাত ভরে পানি নিও....
তৃষ্ণা লাগে যদি....
আমার দুই চোখে দুই নদী।।



কষ্টের গান গুলি দুঃখের গান গুলিই আজকাল বেশি শুনছি। খুব ভালো লাগে গানটি। সময় পেলেই শোনি।

তুমি যে আমার চোখের আলো, বাংলা সিনেমার গান

 তুমি যে আমার চোখের আলো....

ভালোবাসারি গান....

তুমি ছাড়া শূন্য আমার সাজানো বাগান

আমার সাজানো বাগান।

রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৬

আল্লাহ'র কৃপায় বারবার মৃত্যুর দোয়ার থেকে ফিরে এসেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা-ভিডিও

 ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরার পর অন্তত দশবার সশস্ত্র হামলার শিকার হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সরাসরি গুলি ও গ্রেনেড হামলায় আল্লাহ'র অশেষ রহমতে বারবার মৃত্যুর দোয়ার থেকে ফিরে এসেছেন স্বাধীনতার পক্ষে খাঁটি বাংলাদেশ প্রেমী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এইসব সশস্ত্র হামলার মধ্যে ২০০৪ এর ২১ আগষ্ট ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বর্বরোচিত ঐ হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন শেখ হাসিনা।

দেশে ফেরার পর তিঁনিও বারবার ষড়যন্ত্রকারীদের বুলেট বোমার টার্গেট হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা হয় ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট। এদিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে শক্তিশালী গ্রেনেড হামলা ও শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গাড়িতেও গুলিকরা হয়। দলের নারী নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী প্রাণ হারান এই হামলায়।

এর আগে শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে বড় ধরণের হামলা হয়েছিল ৮০ দশকের শেষ দিকে চট্টগ্রামে। ১৯৮৮ সালের ২৪ শে জানুআরি লালদিগির জনসভায় যাওয়ার পথে গাড়ি বহরে পুলিশ গুলি চালালে শেখ হাসিনা প্রাণে বাঁচলেও মারা যান ২৪ জন।

তবে ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে প্রথম হামলা হয় ১৯৮৭ সালের ১০ই নবেম্বর। স্বৈরাচারবিরোধী অবরোধ চলা কালে সচিবালয়ের সামনে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।

শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ১৯৮৯ সালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ি লক্ষ্য করে ফ্রিডম পার্টির অস্ত্রধারীরা গুলি চালায় এবং গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী চতুর্থদফায় হামলার শিকার হন ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে। সংসদ উপনির্বাচনে গ্রীনরোডের ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়া হয়।

এর পর ১৯৯৪ সালের তত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে ট্রেনমার্চে গেলে ইশ্বরদী রেলস্টেশনে গুলি চালানো হয় শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনের বগী লক্ষ্য করে।

১৯৯৫ সালে পান্থপথের এক জনসভায় শেখ হাসিনাকে লক্ষ্যকরে চালানো হয় বোমা হামলা।

এরপর ১৯৯৬ সালের কার্জন হলের গুলি এবং ২০০৩ সালের ৩০শে আগষ্ট সাতক্ষিরার কলারোয়ায় শেখ হসিনার গাড়ি বহর লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করা হয়।

এছাড়া শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০০ সালের ২০ জুলাই কোটালী পাড়ার বিশাল জনসভায় বোমা পুতে রাখা হয়। ৭৬ কেজি এই বোমা উদ্ধার হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা।

এছাড়া ২০০১ সালের মে মাসে খুলনায় রূপসা সেতুর কাজ উদ্ভোদন করতে যাওয়ার কর্মসূচি ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। সেখানেও পুতে রাখা শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করেছিলেন গোয়েন্দারা।

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ জনগণ মনে করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করতেই বারবার শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে এবং এই ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত রয়েছে।
(দেখুন ভিডিও সংবাদ) 

সংগ্রহ:- প্রতিবেদন, সময় সংবাদ। আবুল কালাম আজাদ। 

মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০১৬

শ্রদ্ধাঞ্জলি

ইতিহাস বলে- 'ইতিহাসের মহানায়ক' তুমি।
যাঁর জন্ম না হলে- বাংলাদেশের জন্ম হতো না,
বাঙালি পেতো না মুক্তি।
তাঁর সাথেই আমার ভাব- যেন,
পিতার সাথে সন্তানের না দেখা প্রেম চুক্তি।

যিঁনি কখনো অন্যায়ের সাথে করেননি আপোষ,
সারা জীবন ন্যায়ের পক্ষে ছিলেন বহমান-
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, সে যে আমার
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মানুষকে ভালোবাসার সুউজ্জল দৃষ্টান্ত- 
ইতিহাস তাঁর প্রমাণ, 
ধনি গরিব জাতিভেদের ছিল না দূরত্ব 
সবাই ছিল তাঁর কাছে সমান।
মাটি মানুষকে ভালোবেসেই তিঁনি
নিজের জীবন করেছেন তুচ্ছ,
জেল জুলুমেও দমাতে পারেনি
প্রিয় মানুষের সাথে তাঁর বন্ধুত্ব।

সাধারণ নয়- তিঁনি অসাধারণ এক মহান নেতা,
শোষিত মানুষের হৃদয়ের সম্পদ
মুক্তি স্বাধীনতার চেতনা।
এই মহামানবের বিদায়ের বেলা, কেঁদেছিল বাংলাদেশ
কেঁদেছিল বিশ্ব সংবাদ ধারা।
ব্যথিত হয়েছিল প্রতিটি মানুষ, স্তব্ধ ছিল বাংলা,
অধিক শোকে হয়েছিল পাথর, বিশ্ব বাঙালি, দেশমাতা।

বাংলার আকাশে আজও একটাই চাঁদ তুমি
সংগ্রামে চেতনায় শ্রদ্ধায় রয়েছো মিশি,
হৃদয়ের সমস্ত ভক্তি দিয়ে- তোমাকেই স্বরণ করি।
হে মহান! বাংলার অবিসংবাদিত সংগ্রামী
গভীর ভালোবাসায় তোমাকে জানাই- 'শ্রদ্ধাঞ্জলি'।

( শ্রদ্ধাঞ্জলি -নয়ন) 

গভীর ভালোবাসায় তোমাকে জানাই 'শ্রদ্ধাঞ্জলি'





 ইতিহাস বলে- 'ইতিহাসের মহানায়ক' তুমি।

যাঁর জন্ম না হলে- বাংলাদেশের জন্ম হতো না,

বাঙালি পেতো না মুক্তি।

তাঁর সাথেই আমার ভাব- যেন,

পিতার সাথে সন্তানের না দেখা প্রেম চুক্তি।

যিঁনি কখনো অন্যায়ের সাথে করেননি আপোষ,

সারা জীবন ন্যায়ের পক্ষে ছিলেন বহমান-

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, সে যে আমার-

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।



মানুষকে ভালোবাসার সুউজ্জল দৃষ্টান্ত

ইতিহাস তাঁর প্রমাণ,

ধনি গরিব জাতিভেদের ছিল না দূরত্ব

সবাই ছিল তাঁর কাছে সমান।

মাটি মানুষকে ভালোবেসেই তিঁনি

নিজের জীবন করেছেন তুচ্ছ,

জেল জুলুমেও দমাতে পারেনি

প্রিয় মানুষের সাথে তাঁর বন্ধুত্ব।



সাধারণ নয়-

তিঁনি অসাধারণ এক মহান নেতা,

শোষিত মানুষের হৃদয়ের সম্পদ

মুক্তি স্বাধীনতার চেতনা।

এই মহামানবের বিদায়ের বেলা

কেঁদেছিল বাংলাদেশ

কেঁদেছিল বিশ্ব সংবাদ ধারা,

ব্যথিত হয়েছিল প্রতিটি মানুষ, স্তব্ধ ছিল বাংলা-

অধিক শোকে হয়েছিল পাথর

বিশ্ব বাঙালি, দেশ মাতা।



বাংলার আকাশে আজ একটাই চাঁদ তুমি

সংগ্রাম চেতনায় শ্রদ্ধায় রয়েছো মিশি,

হৃদয়ের সমস্ত ভক্তি দিয়ে- তোমাকেই স্বরণ করি।

হে মহান! বাংলার অবিসংবাদিত সংগ্রামী

গভীর ভালোবাসায় তোমাকে জানাই- 'শ্রদ্ধাঞ্জলি'।



( শ্রদ্ধাঞ্জলি -নয়ন)


সোমবার, ১ আগস্ট, ২০১৬

সৌদি নারীদের বিয়ে করতে পারবে বাংলাদেশী প্রবাসীরাও, সঙ্গে পেনশন বেতন সুবিধা

বাংলাদেশী প্রবাসীরাও বিয়ে করতে পারবেন সৌদি আরবের নারীদের এমন সংবাদই প্রকাশ করলেন 'দৈনিক জনতারকণ্ঠ' অনলাইন নিউজ পোর্টাল। খবরটি আমার কাছে স্পেশাল মনে হলো। 

সৌদি আরবে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি। সৌদি পুরুষরা একাধিক বিয়ে করলেও অবিবাহিত থেকে যাচ্ছেন অনেক নারী। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রবাসীদের জন্য সৌদি নারীদের বিয়ে করার বিধি নিষেধ তুলে নিয়েছেন।

অবশ্য এজন্য 'স্পেশাল এক্সপ্যাক্ট' সিস্টেমে তাদেরকে আগে থেকেই নিবন্ধন করতে হবে। প্রবাসীরা শুধু সৌদি নারীদের বিয়ে করার সুযোগই পাচ্ছে না, এর সাথে তারা পেনশনসহ বেতন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

বিদেশী অভিবাসীদের জন্য সম্প্রতি এমনই সুখবর জানিয়েছে দেশটি। শনিবার আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

সৌদি ইন্স্যুরেন্সভিত্তিক একটি সংস্থার বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদিতে কোনো বিদেশী অভিবাসী যদি দেশটির কোনো নারীকে বিয়ে করেন তবে তিনি মাসিক বেতনসহ পেনশন পাবেন। তবে তাদের বেতন সৌদি ৩ হাজার রিয়াল কিংবা তার চেয়ে কম হতে হবে।

সংগ্রহ :- http://janatarkontho.net/archives/1060


মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১৬

আইসো বন্ধু.....আরো চা

৪/- আইসো বন্ধু 

আইসো বন্ধু- সময় করে
আইসো আমার ঘরে-

আকাশ ভরা তারার মেলায়
স্বর্ণ ঝরা চাঁদ পূর্ণিমায়
নিরবধি পূবাল হাওয়ায়
বসবো দুজন ঘাস বিছানায়
প্রেমের বৃন্দাবনে....

তোমায় নিয়ে নিশি জেগে
জ্যোৎস্না ভরা নীরব রাতে
মনের যতো কথা আছে

হৃদয়ের সব ইচ্ছে চাওয়া 
বলবো সবি গানে গানে....

ভালোবাসার পরশ দিয়া
ভরাবো ওই দিল দরিয়া
সোহাগ যতন কৃষ্ণ খেলা
সারা বেলা খেলবো দুজন
প্রেমের নাও ভাসিয়ে....

দিগন্তের ঐ আকাশ জুড়ে
স্বপ্ন গুলো যাই ছড়িয়ে
নয়ন মরছে প্রেম বিরহে

দিবারাত্রি চোখ দুটি মোর 
তোমার প্রতীক্ষাতে...


৩/- নতুন বৈরাগী

তোমার- সাধের লাউ সামলে রাইখো
ও লাউয়ালী
আইলো এবার নতুন বৈরাগী।
কোন লাউ-ই যাইবো না বাদ
কচি আর মাঝারি
এ বড় শেয়ানা বৈরাগী 
ও লাউয়ালী
আইলো এবার নতুন বৈরাগী।। 

অন্তরে তার বড়ই মায়া
 কণ্ঠে ভরা মধু
ভালোবাসার তীর মারিয়া
করবে তোমায় কাবু।
উদাস দুপুর সন্ধা রাতে
গান গেয়ে যায় আপন মনে
অন্তর পুড়া ঘর ত্যাগী সে
ভালোবাসে তবু।।
ঘর খুঁজে না মন বুঝে সে
লাউয়ের বড় লোভী।
আইলো এবার নতুন বৈরাগী।। 

ভালোবাসার এপিঠ ওপিঠ
সবকিছুই তার জানা
মন জানিয়া কইরো পিরিত
নাই গো তোমার মানা।
ভালোবাসার পাগল হয়েই
পৃথিবীতে আসা
যদিও সে পায়নি আজও
তাই'তো ঘর ছাড়া।।
আদর দিয়া লাউ কাড়িয়া
বানাইবো ডুগডুগি।
আইলো এবার নতুন বৈরাগী।। 

২/- আমার অন্তর আগ্নেয়গিরি 

 আমার- বুকটা যেন ইটের বাটা
অন্তর আগ্নেগিরি---!!
দু'চোখ দু'টি সাগর যেন---!!
বইছে লোনা পানি---!
আমার- অন্তর আগ্নেগিরি---

আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা
ছিল এ অন্তরে---
পাহাড় সমান বিশ্বাস আমি
দিয়েছিলাম তারে---।।
আমার আকাশ মেঘে ঢাকা ---!!
হৃদয় মরুভূমি -
 আমার- অন্তর আগ্নেগিরি---

স্বপ্ন হারা দু'চোখ আমার
আজও তোমায় খুঁজে---
কতই সুখে সাজাইছো ঘর
তুমি অন্য বুকে---!!
শূন্য এ বুক তুমি ছাড়া---!!
পুড়ছে দিবানিশি---
আমার- অন্তর আগ্নেগিরি---
___
১/- মিনতি ছিল তার নাম 

আমাদের স্কুলে অষ্টম পাশ করে -
নবম শ্রেণীর তঅন ছাত্র ছিলামম।
সেই ক্লাশের একটি মেয়ে-বাসতো আমায় ভাল-
মিনতি ছিলো তার নাম-
মিনতি ছিলো তার নাম।।

বাবা মা'র চাপে পড়ে একদিন এসে বলে-
চলো যাই দুজনে ছাড়ি বাড়ি-
পথ চেয়ে দিন গোনে আমার সে মিনতি,
অভিমানে পরলো বিয়ের শাড়ী!!
মিনতি_____ও আমার মিনতি!!

পৃথিবীর কাছে আমি আজ বড় অসহায়,
কেউ তো রাখেনা আর আমার খবর-!
বিধাতার কাছে করি একটাই মিনতি-
শান্তিতে কাপে যেন তার জীবন।।
মিনতি_______ও আমার মিনতি।

মিনতি_______ও আমার মিনতি।।

তুমি নেই বলে....! অসমাপ্ত কবিতা

তুমি নেই বলে.....
______________________নয়ন

আষাঢ়ের অবাধ্য বৃষ্টি যেন
দুচোখে জমা হয়েছে আজ,
সাগর মহাসাগরের সব জল
সেথায় করছে বসবাস।
স্রোতের তীব্রতায় যাচ্ছে ভেসে
মনের এপাশ ওপাশ,
নিরব শব্দে মাঋে মাঝেই
বর্ষিত হয় কষ্টের বর্জ্যপাত।।
________________________

কষ্ট যতো আমারই থাক
সুখেই থেকো তুমি,
হারিয়েছি তাই হই হতবাক
তোমায় স্বর্গ জানি!
শান্ত নীরব ভোঁরের আকাশ
জেগে ওঠে সব পাখি,
স্বপ্ন ভাঙা হৃদয় আমার
দুচোখ জুড়ে বারি।
সূর্য মামা ঘুচায় আঁধার
বিলায় আলোর রশ্মি,
মনে আমার ঘুর অন্ধকার
দুই চক্ষে না দেখি।

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১৬

এ যে কেবল শুধুই বেঁচে থাকা....

যেদিন তোমার সাথে আমার প্রথম আলাপ হলো, সেদিনই স্থির করেছিলাম- জীবনে যতো ঝড় যতো বাঁধাই আসুক তোমাকেই সাথী করে রাখবো। ভালোবাসার মর্ম আমি তখনও কিছুই বুঝতাম না। শুধু বুঝতাম- তোমার কাছাকাছি গেলেই, নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সুখী মনে হতো। কষ্টকর হয়ে ওঠতো তুমিহীন প্রতিটি মুহুর্ত।

আমি কিন্তু প্রথম তোমাকে সাধারণ পাঁচ দশটা পরিবারের মেয়ের মতোই ভানতাম....! ভাবিইনি তুমি এতটা অসাধারণ কেউ, তুমি বড়লোক বাবার আদরের মেয়ে...! কিন্তু যখন বুঝেছিলাম- তখন খুব দেরি হয়ে গিয়েছিল, ততদিনে আমি আমার থেকেও তোমাকেই বেশি ভালোবেসে ফেলেছিলাম। তোমাকে পাবো না এই ভয় মনের মধ্যে পোষে রেখেও, তোমার প্রতীক্ষায় প্রহর গুনেছি। নিত্যদিন মনের সাথে যুদ্ধ করতে হয়েছে, কিন্তু কিছুতেই মানতে পারিনি কোনদিন তোমাকে হারিয়ে বেঁচে থাকবো...!

অথচ কি ভাগ্য দেখো,  তোমাকে হারিয়ে আজ কত বছর দিব্যি বেঁচে আছি....! তবে!
এ যে কেবল শুধুই বেঁচে থাকা......


রবিবার, ৩ জুলাই, ২০১৬

নতুন বৈরাগী


 
তোমার- সাধের লাউ সামলে রাইখো
ও লাউয়ালী
আইলো এবার নতুন বৈরাগী।
কোন লাউ-ই যাইবো না বাদ
কচি আর মাঝারি
এ বড় শেয়ানা বৈরাগী 
ও লাউয়ালী
আইলো এবার নতুন বৈরাগী।। 

অন্তরে তার বড়ই মায়া
 কণ্ঠে ভরা মধু
ভালোবাসার তীর মারিয়া
করবে তোমায় কাবু।
উদাস দুপুর সন্ধা রাতে
গান গেয়ে যায় আপন মনে
অন্তর পুড়া ঘর ত্যাগী সে
ভালোবাসে তবু।।
ঘর খুঁজে না মন বুঝে সে
লাউয়ের বড় লোভী।
আইলো এবার নতুন বৈরাগী।। 

ভালোবাসার এপিঠ ওপিঠ
সবকিছুই তার জানা
মন জানিয়া কইরো পিরিত
নাই গো তোমার মানা।
ভালোবাসার পাগল হয়েই
পৃথিবীতে আসা
যদিও সে পায়নি আজও
তাই'তো ঘর ছাড়া।।
আদর দিয়া লাউ কাড়িয়া
বানাইবো ডুগডুগি।
আইলো এবার নতুন বৈরাগী।।