রবিবার, ২৬ জুন, ২০১৬

হয়নি পাওয়া

চোখ বুঝিলেই তোমায় দেখি
স্বপ্নে চলে প্রেমের খেলা-
ঘুম ভাঙিলেই শুধু ভাবি
এভাবেই কি যাবে বেলা !

মায়ায় বেঁধে সারা জীবন
থাকবে পাশে দিলে কথা-
আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা
হারিয়ে সব বুকে ব্যথা !

বদলে ছিল এই ছেলেটি
প্রথম তোমার পেয়ে দেখা-
মনের রাজ্যের আকাশ জুড়ে
এঁকে ছিল স্বপ্ন রেখা ।

বদলে গেছি অনেক আগেই
বদলেছে তাই জীবন ধারা-
সফলতার সব পেয়েছি
এই জীবনে তুমি ছাড়া !

ইট বালির এই দেয়াল গড়ে
লাভ কি রেখে হৃদয় কালা-?
তোমার মাঝেই ছিলাম আমি
তাই বুঝি আর হয়নি পাওয়া !

[ লিখেছি:- 'হয়নি পাওয়া' - সামওয়্যারইনব্লগ.কম
'হয়নি পাওয়া' -  ইস্টিশন.কম ]

রবিবার, ১৯ জুন, ২০১৬

আজ বড় একা মনে হচ্ছে নিজেকে

ও ভাই! যাইসনা তুই এত দূরে। আমি যে বড্ড একা যাবরে ভাই....!
মনের এই আকুতি আমি প্রকাশ করতে পারিনি। বলতে পারিনি আমার বড় ভাইকে আমার হৃদয়ে শ্রাবণ ধারা বইছে তার এত দূরে বাড়ি বানানোর কথা শুনে। অামি শুধু বলেছিলাম, কি দরকার এত দূরে বাসা করার। এছাড়া আর কিইবা বলতে পারি আমি। তার ভবিষ্যৎ চিন্তা, সুখ তৃপ্তি জড়িত তার চাওয়ায়। আমি সেখানে বাঁধা দিবো কেন। আর বাঁধা দিলেই কি আমার কথা শুনবে ? শুনবেইবা কেন?

আমার কোন ক্ষোভ নিয়ে লিখছি না। লিখছি আমার মনে বিষণ ঝড় বইছে। ভাবছি অনেক কিছুই। বার বার নিজেকে খুব বেশি একা মনে হচ্ছে। আর হবেইনা কেন। আমিতো কোন দিন ভাবিইনি এত দূরে থাকবো ভাইদের থেকে।

কত সুন্দর, সুখের সংসার ছিল আমাদের। ঝড়ের মত সব এলোমেলো হয়ে গেল। হয়েছে অবশ্য আরও অনেক আগেই। কিন্তু এতোটা অনুভব করিনি। সেভাবে ভাবিওনি কোন দিন। আজ ভাবতে হচ্ছে। ভাবতে হচ্ছে এই বুঝি একা হয়ে গেলাম। চোখের পাতা বারবার ভিজে উঠছে। মনভরে কাঁদতেও পারছি না। ভাই আমার বড় লোক হয়েগেছে ময়মনসিংহ ফ্লাট কিনবে। আমার ভাতিজিরা সুখে সাচ্ছন্দে বড় হবে। আমার তো খুশি হওয়ার কথা। হয়েছি তো! খুব খুশি হয়েছি আমি।

ভাই তুমি সুখে থেকো.....  মন থেকেই বলছি সুখি হইয়ো তুমি।

অনেক কিছু লেখবো বলেই ঢোকেছিলাম ব্লগে। আর পারছিনা.......


শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০১৬

বাংলাদেশের সুদূর প্রসারী দুরন্ত পথচলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র লক্ষ্যটা স্পষ্ট

বাংলাদেশের সুদূর প্রসারী দুরন্ত পথচলা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্যটা স্পষ্ট। উন্নয়ন ছেলাখেলা নয়। শক্ত ভিত দরকার। দেদার ছাড় দিয়ে রাজকোষ খালি করে হাততালি কুড়োন নয়। আপসে মন ভোলানো খুশি নয়। দূরের যাত্রায় দুরন্তর গতিতে এগিয়ে যাওয়া।

রাজধানী অদূরে পূর্বাচল ও এর নিকটস্থ এলাকা নিয়ে যে স্বতন্ত্র মহানগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, সেখানে ১৪২ তলা বিশিষ্ট আইকন টাওয়ার স্থাপন করা হবে। শিগগিরই প্রকল্প আকারে কাজটি শুরু করবে বাংলাদেশ। আগামী ২০১৮ অর্থ বছরের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাবকালে এ চাঞ্চল্যকর তথ্যটি জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সুসংবাদটি ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যম গুলোতে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার "দ'বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ১৪২ তলা অট্টালিকা, পাকিস্তান 'জ্বলছে' " শিরোনামে খবরটি প্রকাশ করে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন, বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মণ্ডলে নতুন সম্মানিত করেছেন। সংবাদটি আমার ব্লগে রেখেদিলাম:-
______________আনন্দবাজার
গোলাভরা ধান, গোয়ালে দুধের গাই, পুকুর ভর্তি মাছেই ছন্দে ফিরতেন গ্রামবাসীরা। স্বচ্ছলতার সুখ পৌছত কৃষকের ঘরেও। আকাল এলে গোলমাল বাঁধত। হাহাকারের অন্ধকার। সে দিন গেছে। গ্রাম বাঁধা পড়েছে শহরে। মান্ধাতার আমলের অর্থনীতি উন্নয়নের প্রশস্ত রাজপথ খুঁজছে। উন্নততর জীবনের হাতছানী। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্যটা স্পষ্ট। বাজেটে তার ছাপ।
দেদার ছাড় দিয়ে রাজকোষ খালিকরে হাততালি কুড়োন নয়। আপসে মন ভোলানো খুশি নয়। দূরের যাত্রায় দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যাওয়া। প্রতি বছরেই তার ফল ফলবে। মুগ্ধ দেশবাসী নিজেদেরই চিনতে পারবে না। ভাববে এটা সেই বাংলাদেশ, না অন্য কোন আনন্দলোক।
মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হওয়াটা শুধু সময়ের অপেক্ষা। এর পরে ধাপে ধাপে উন্নত দেশের শরিক হওয়া। তার প্রতীকী আচড় এবারের বাজেট। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ঘোষণা, দু'বছরেই বাংলাদেশে মাথা তুলবে আকাশ ছোঁয়া ১৪২ তলা অট্টালিকা। যা সার্কের অন্য কোথাও নেই। সুখবর ছড়াতে সময় লাগেনা। পৌছেছে ইসলামাবাদে। পাকিস্তান বিশ্বাস করতে পারছে কই! দুশ্চিন্তা দানা বাঁধছে। ভাবছে, তাহলে সত্যিই কী বাংলাদেশকে আর দমিয়ে রাখা যাবেনা।

শুধু ঢাকায় কুলোচ্ছেনা। দরকার আরও একটা মহাসাগরের। পূর্বাঞ্চলে হবে সেটা। পরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু আর শেষ সময় ধরে। হচ্ছে, হবে বলে কোন প্রকল্পই ফেলে রাখা যাবে না। আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের সঙ্গে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মানের ব্রুপ্রিন্ট পাকা। কনভেনশন সেন্টারে পাঁচ হাজার লোকের বসার ব্যবস্থা হবে। এসব লোক দেখানো নয়। কর্মসংস্থান, ব্যবসাবাণিজ্য প্রসারের খাতিরে। খেলাধুলোর সব খাতেই যাতে শিশু, কিশোর যুবারা ছড়িয়ে পড়ে সে দিকে নজর। ক্রিকেট অনেকটা এগিয়েছে। এখন বিশ্বের প্রথম সারিতে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতাও অর্জন করেছে। তুলনায় অন্যান্য খেলাতেও আগ্রহ বাড়াতে হবে। বাঙালির প্রিয় খেলা ফুটবল। সেখানে পিছিয়ে থাকলে চলে কি করে।

উন্নয়ন ছেলেখেলা নয়। শক্ত ভিত দরকার। ৬৪ জেলা, ৪৮৫ উপজেলা ঘিরে নিখুঁত ডিজিটাল যোগাযোগ। অনলাইন কার্যক্রম এখন সব জায়গায়। অনলাইনে ছ'মাসে লেনদেন ২,৫৭৩ কোটি। মোবাইল গ্রাহক ১৩.০২ কোটি। ইন্টারনেট ব্যবহার ৫,৪৭০ কোটি।

টেলিডেনসিটি ৮৩.০৯ শতাংশ। ইন্টারনেট ডেনসিটি ৩৪.৪০ শতাংশ। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিচয় পত্র যাচাই। সিম-রিম রেজিস্ট্রেশনের কাজ পুরোদমে। রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন। ১৩৭৯.৩৫ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। ডাক বিভাগ মোবাইল মানি-অর্ডার সার্ভিস, ক্যাশ কার্ড চালু করেছে। ৩,৫০০ ডাক ঘরে পোস্টাল-ই-সেন্টার চালু। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকা শহরে ১ লাখ ডিজিটাল লাইন। নতুন হয়েছে আরও ১ লাখ ৩৯ হাজার। ৯৮ টি উপজেলার ১০০৬টি ইউনিয়নে ৪,৫০০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার বসানো গেছে। ৩০০টি ইউনিয়নকে অপটিক্যাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে। টেলিটক ৩-জি প্রকল্পের আওতায় দেশের ৭ টি বিভাগ। ৬৪ জেলা শহরে ৩-জি চালু দ্রুতলয়ে। এর কৃতিত্ব অনেকটাই হসিনা তনয় সজীব ওয়াজেদ জয়ের।

বাংলাদেশ সী-মী-উই-৫ সাবমেরিন ক্যাবল কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে প্রতিস্থাপন-সংরক্ষণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ব্যান্ডউইথের সর্বনিম্ন মূল্য এখন ৬২৫ টাকা মেগাওয়াট। তার পরেও কি গ্রাম শহর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে। উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হওয়ার আর কোনও সম্ভাবনা থাকে।

সূত্র:-
bd24live.com
আনন্দবাজার (অনলাইন পোর্টাল)

শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৬

পুরুষের দু'ফোঁটা চোখের জল;

নারী হৃদয়ে বেদনার সুর যখন বেঁজে ওঠে
তার আঁখি কোনে জমানো জল...
দরদর করে ঝড়ে পড়ে শত বিরহের
গ্লানিকে ধুয়ে মুছে নিয়ে যায়।
________কিন্তু পুরুষের
পাষাণ বক্ষ ভেদ করে
যে দু'ফোঁটা অশ্রু ঝড়ে.....
তা কিন্তু বড় কঠিনকে ভেদ করে আসে
পাহাড়ের বুক চেরা নদী থেকে।

কথাগুলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছিলেন তাঁর কোন এক গল্প-কবিতায়।

সুখে থেকো তুমি, দেইনা অভিশাপ ;

তোমার দাম্ভিক হৃদয়ের মাঠে
ধুলি কণার মতোই পদপিষ্ট হয়েছি....
তোমার অহংকারী মনের আভিজাত্যে
নিজেকে ভিখিরি সাজিয়েছি....
তোমার বিষ ছলনাময় ভালোবাসা
আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ ভেবেছি...
তোমার দেয়া যতো কষ্ট যন্ত্রণা
স্মৃতি জাদুঘরে বরণ করে নিয়েছি নিঃশব্দে....
শুধু কখনো ভাবিনি.......
অপরূপ সৌন্দর্যে সাঁজানো স্রষ্টার পৃথিবী
আমার চোখে কুৎসিত হয়ে যাবে....!
চারিধারে হাজারো মানুষের ভিড়ে
একাকিত্ব আমাকে গ্রাস করবে....!
স্বার্থান্ধ পৃথিবীপৃষ্ঠে চির একা করে
স্বার্থপরের মতো অামাকে ছেড়ে যাবে...!
নিজেকে সুখের ভেলায় নিরাপদ করে
দুঃখের নীল সমুদ্রে আমাকে ভাসাবে....!
এতোই বিশ্বাস করেছিলাম যে.....
কখনো ভাবিনি হারাবো তোমাকে...!

আমার ভালোবাসার আকাশ জুড়ে
তুমিই অপরূপ চাঁদ
হৃদয় ভাসিয়েছ প্রেমের জ্যোৎস্না ছড়িয়ে....
হাজারো ব্যথা সুখের হতো...
তোমার একটু পরশে....
ভুলে যেতাম শত অবহেলা
পেয়েছি যতো অপবাদ....
আমার এ ভালোবাসায়
ছিলনা কোন খাঁদ....!

আমি কষ্টকেই সাথী করে বেশ আছি
সুখে থেকো তুমি, দেইনা অভিশাপ.....

বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৬

বুকে আগুন জ্বলে রে....

আগুন জ্বলে রে...
দেখানোর মানুষ নাই....
নেবার বেলায় আছে মানুষ....
দেবার বেলায় নাই.....
বুকে আগুন জ্বলে রে....

কেমনে গেলা ভুলে...!

সবাই যখন ঘুমিয়ে থাকে
আমি একা ঘরে.....
একা একা ভাবি বসে...
কেমনে গেলা ভুলে....!

বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫

ব্যর্থ এই জীবন....!

M/নীড়হীন পাখিকে দেখেছো কখনো কোন সন্ধায় রোদ বৃষ্টি বা শীতের কোন রাতে..... আপনজন হারা নিঃস্ব। সারা দিনের ছুটাছুটি শেষে সন্ধায় একাকিত্ব জীবনের আশা নিরাশায় কোন গাছের ডালে স্তব্ধ পাখিটি যেমন হতাশায় ডুবে ডুবে ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিতে বিভোর থাকে-
তোমাকে হারিয়ে অবস্থা সেই নিঃস্ব পাখির মতোই.... গন্তব্যহীন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হতাশায় একাকী মনের হাজারো প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে অামি আজ বড়ই ক্লান্ত.....!
তোমার মিথ্যে ভালবাসার বিষে আমার অঙ্গ জড়জড়িত, মনের ভিতর হাজারো ক্ষত যা আমাকে নিত্য কষ্টের চুড়ায় নিয়ে যায়.... কি যে অসহ্য....  কতটা যন্ত্রণার তা তুমি বুঝতে যদি আমাকে ভালোবাসতে......!

M/তুমি তো আমার ছিলেনা কখনো.... মিথ্যে বিষ ছলনায় হৃদয় করেছো ক্ষত...!  তবুও এতো বছর পর তোমার ভালোবাসা আমাকে কাঁদায়, পুঁড়ায়- আমাকে কষ্টের সাগরে ভাসায়.... আমি আজ ব্যর্থ জীবনের কাছে পরাজিত....!!?

M/কেমনে ভুলেছ সবি..... এতো ভালোবাসা এতো স্বপ্ন....
দু'জনে সাজাবো ঘর....
যা আজ শূণ্য.......!
জানো তুমি চলে যাওয়ার পর
কত রাত ভোর করেছি তোমাকে ভেবে ভেবে....
দু'চোখের লোনা জলে বালিশ ভিজিয়েছি কত.....
শত কষ্ট হাজারো যন্ত্রণার মাঝেও অনুভব করেছি
তোমার প্রতিটি স্পর্শ ছিল অমৃত....
মুহুর্তেই কান্না ভুলে আকাশের চাঁদটাকে বলেছি
হে চাঁদ তুমি সুন্দর নও নেই তোমার এত আলো
এই অন্ধকারময় হৃদয় আকাশে প্রিয়ার মুখটি উজ্জল সূর্য
তোমাকে ম্লান করে মন আকাশে ছড়ায় আলো....।

M/তোমাকে হারিয়েছি হারায়নি তোমার আমার মধুর স্মৃতিগুলো।
তুমি নিজেকে বদলে নিয়েছ অামি পারিনি বদলাতে নিজেকে- আমার অতৃপ্ত মনকে.... তোমার জন্য অন্তর কাঁদে অবিরত ।
তুমি সুখটাকে করেছ অাপন সাজিয়েছ অন্যের ঘর -
আমি দুঃখি আজ নিঃস্ব.....
ঘরের মাঝে ঘর নেই-
মনের মাঝে মন-
ব্যর্থ এ জীবন.......