মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০১৭

বন্ধু তোমার কষ্ট গুলো

বন্ধু তোমার কষ্ট গুলো
খরস্রোতা নদীর মতো,
ভাঙছে দুকূল ভাসছে আমার
হৃদয়ের ভূমি।।
তুষের আগুন বুকের ভিতর
চক্ষু জলে হয় না শীতল।।
মনের যতো স্বপ্ন আশা
সবি গেলো ভাসি।।

কত দিনের কত স্মৃতি
জমা আমার বুকে,
একবারও কি হয়'না তোমার
পাষাণ ওই মনে।।
ভাসি আমি চোখের জলে
নিত্যদিনি তোমায় ভেবে।।
মরণ ছাড়া কষ্ট আমার
শেষ হবে না জানি।।

দুঃখী যারা এই জীবনে
আমিই সবার সেরা,
লাভ কি বলো বেঁচে থেকে
বন্ধু তুমি ছাড়া।।
ওই দুটি হাত রেখে হাতে
বলেছিলে থাকবে সাথে।।
সব কিছুই কেমন করে
ভুলে গেলে তুমি।।

মনের রাণী

স্বর্ণকমল অঙ্গ লতায় তার চক্ষু ভরা মায়া,
কাজল কালো ওই চোখে ভালোবাসার ছায়া।
মনভরে যায় দেখে তারে হাসিমুখে কলসি কাঁখে
রোজ দুপুরে আমার তরী যখন ভিড়ে সেই ঘাটে।

রুদ্র জিলিক রূপের আগুন দেখে না'পাই দিশা,
হৃদয় থাকে ঘাটেই পড়ে তাই তো ফিরে আসা।
কত আশা মনের ঘরে বলবো কথা হৃদয় খোলে,
ভুলেও যদি বন্ধু আমার একটু সময় বসে পাশে।

বলবো কি আর দুঃখের কথা মনের কতো ব্যথা,
এতো দিনেও বুঝলোনা সে আমার যাওয়া আসা।
দেখে আমায় একটু হাসে চোখ পড়ে যখন চোখে,
বুকের সাথে খালি কলস ধরেই থাকে শক্ত করে।

হয় তো বুঝে একলা মনে আমার চোখের ভাষা,
দেয়না বোঝতে আমায় কিছু হয়তো বুঝে খোদা।
রূপ কুমারীর রূপ সাগরে আমি বুঝি যাচ্ছি ডুবে,
হোক'না মরণ যদিনা সে টেনে তুলে হাতটি ধরে।

হও যদি গো মনের রাণী আমি হবো রাজা
ভালোবাসা দেবো তোমায় যেন বাধ্য প্রজা।
নিশি জেগে প্রতি রাতে চন্দ্রালোকে ভাসবো সুখে,
অমানিশা অন্ধকারে জোছনা রবেই আমার ঘরে।

সোমবার, ৬ মার্চ, ২০১৭

ওগো সুর সুন্দরী তুমি

ওগো সুর সুন্দরী তুমি
সুরের দেশের রাণী।।
উদাস করে আমাকে
সুরের দেশে নিয়ে যাও।।
ওগো সুর সুন্দরী তুমি।

পদ্ম কলি ওচোখের তারায়
লক্ষ কোটি সুরের ধারা।
তোমার চাঁদমুখ দেখে ধরায়
দিয়ে যায় মনে প্রেমের ছোঁয়া।।
প্রেমের স্বর্গ জানি তোমার মায়া
আমার সুর জাগানিয়া ভূমি।
ওগো সুর সুন্দরী তুমি।

কথায় ছন্দ ঝরে চলায় সুর
পরশে তোমার সব দুঃখই দূর।
সুখের আবেশে ভরে হৃদয় ঘর
দিয়ে যায় আমাকে সুরের খবর।।
দেখে দেখে ওই মুখ লক্ষ্য বছর
জানি কাটিয়ে দেবো যে আমি
ওগো সুর সুন্দরী তুমি।

ধিকিধিকি অন্তর জ্বলে

আমার বুকের ভিতরে, অন্দর কঠোরে,
ভালোবেসে রেখেছি যাকে,
হৃদয় খুলিয়া বিছানা করিয়া
রাখিয়াছি যতন করে।।
আজ বিরহের আগুনে, একাকী গোপনে
দিবানিশি অন্তর শুধু জ্বলে...
জ্বলে শুধু অন্তর জ্বলে
           ও মিনতি
ধিকিধিকি অন্তর জ্বলে।।

তোমাকে আমি ভালোবাসি
আমার অন্তর দিয়ে,
জীবন মরণে তোমাতেই আমি
রয়ে যাবো মিশে।।
আজ মনের বাসরে, তোমারি কারণে
অন্তর আমার কেঁদে মরে...
জ্বলে শুধু অন্তর জ্বলে
          ও মিনতি
ধিকিধিকি অন্তর জ্বলে।।

চন্দ্র তারা বনের লতা
সাক্ষী করে তুমি,
আমার চোখে চোখ রাখিয়া
বলতে তোমারি আমি।।
আজ ভুলিয়া সে কথা, অন্যের ঘরে গেলা
ভাবতেই চোখ দুটি জলে ভরে....
জ্বলে শুধু অন্তর জ্বলে
           ও মিনতি
ধিকিধিকি অন্তর জ্বলে।।
আমার বুকের......ঐ

রবিবার, ৫ মার্চ, ২০১৭

আমার কান্না গুলো সব হৃদয়ে জমে :গান

ওই আকাশ কাঁদে দেখো বৃষ্টি হয়ে
এ বাতাস কাঁদে দেখো শিশির হয়ে।।
ও পাহাড় যখন কাঁদে ঝর্ণা ঝরে...
আমার কান্না গুলো সব হৃদয়ে জমে।।

তোমার প্রেমের পরশ নিয়ে
রাঙিয়ে ছিলাম এই মনেরি ঘর,
শত জনমের কষ্ট দিয়ে
ভেঙে দিলে সব করলে পর।।
তোমার ঘরে আজ সুখের আলো
অন্ধ আমি যেনো কালো আঁধারে...
আমার কষ্ট গুলো সব হৃদয়ে জমে
আমার কান্না গুলো সব হৃদয়ে জমে।।

হৃদয় ভাঙার কঠিন খেলায়
ভেঙে গেলে এই মন অন্তর,
তোমার এমন প্রতারণায়
কাঁদতে হবে আমার জীবনভর।।
তোমার মুখে আজ সুখের হাসি
আমার মনোভূমি ভাসে শ্রাবণে...
আমার কষ্ট গুলো সব হৃদয়ে জমে
আমার কান্না গুলো সব হৃদয়ে জমে।।
ওই আকাশ..... (ঐ)

শনিবার, ৪ মার্চ, ২০১৭

গ্রাম্য-কিশোর

হাসি ভরা মুখ কথায় মিশুক চেনে জনে জনে,
বাড়ি বাড়ি ঘুরে ফেরে পাড়াগাঁয়ে সমান তালে।
ভয় নেই নির্ভয়ে কথা বলে তার উঁচু থাকে বুক,
সহজসরল বচনে বেড়ে ওঠা সে গ্রাম্য-কিশোর।

সারাদিন ছোটাছুটি নেই কোন স্বস্তি চলন কাজে,
ঝড়বৃষ্টির শ্রাবণ দিনেও থাকবেনা ঘরের কোণে।
জুটিয়ে খেলার সাথী কাদাজলে চলবেই হলুস্থুল,
যতো বাঁধাই থাকুক এখেলায় কভু হবে না ভুল।

বাবা-মায়ের শাসন কভু পারেনা তাদের দমাতে,
সুখ যতো গাঁয়ের সেপথে মাড়াতে আর খেলাতে।
বৈশাখী মেলা অষ্টমী বিকেলের সে'মজা হাডুডুর
মনে পড়ে আজো কিশোর স্মৃতিময় সে মুগ্ধ দুপুর।

ধূলো-বালি মাখা গাঁয়ের আঁকা বাঁকা মেঠো পথে,
নিত্য-দিনের যাওয়া আসায় সে মুগ্ধ মাটির ঘ্রাণে।
গানবাজনা আর লেখা-পড়া সেথায় গ্রামের স্কুল,
ভালোবাসা আর মনুষ্যত্ব গড়ে তুলাই লক্ষ্য মূল।

মমতায় ঘেরা পাড়া প্রতিবেশীর হৃদয়ের বন্ধনে,
ঝগড়া ফেসাদ কলহেও তার ভালোবাসা না টুটে।
ভাব-আবেগে থাকে সদা আনন্দ উল্লাসে মশগুল,
নয়নের বড়স্বাদ ফিরে পেতে সেই গ্রাম্য-কিশোর।

গ্রাম্য-কিশোর

হাসি ভরা মুখ কথায় মিশুক চেনে জনে জনে,
বাড়ি বাড়ি ঘুরে ফেরে পাড়াগাঁয়ে সমান তালে।
ভয় নেই নির্ভয়ে কথা বলে তার উঁচু থাকে বুক,
সহজসরল বচনে বেড়ে ওঠা সে গ্রাম্য-কিশোর।

সারাদিন ছোটাছুটি নেই কোন স্বস্তি চলন কাজে,
ঝড়বৃষ্টির শ্রাবণ দিনেও থাকবেনা ঘরের কোণে।
জুটিয়ে খেলার সাথী কাদাজলে চলবেই হলুস্থুল,
যতো বাঁধাই থাকুক এখেলায় কভু হবে না ভুল।

বাবা-মায়ের শাসন কভু পারেনা তাদের দমাতে,
সুখ যতো গাঁয়ের সেপথে মাড়াতে আর খেলাতে।
বৈশাখী মেলা অষ্টমী বিকেলের সে'মজা হাডুডুর
মনে পড়ে আজো কিশোর স্মৃতিময় সে মুগ্ধ দুপুর।

ধূলো-বালি মাখা গাঁয়ের আঁকা বাঁকা মেঠো পথে,
নিত্য-দিনের যাওয়া আসায় সে মুগ্ধ মাটির ঘ্রাণে।
গানবাজনা আর লেখা-পড়া সেথায় গ্রামের স্কুল,
ভালোবাসা আর মনুষ্যত্ব গড়ে তুলাই লক্ষ্য মূল।

মমতায় ঘেরা পাড়া প্রতিবেশীর হৃদয়ের বন্ধনে,
ঝগড়া ফেসাদ কলহেও তার ভালোবাসা না টুটে।
ভাব-আবেগে থাকে সদা আনন্দ উল্লাসে মশগুল,
মনের বড় স্বাদ ফিরে পেতে সেই গ্রাম্য-কিশোর।

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

তুমি কত দূরে

তুমি কত দূরে - আমায় একা করে
সীমানা ছাড়িয়ে গেলে যে হারিয়ে।।
আছো কতই সুখে তুমি আজ,
বড় বেশি মনে পড়ে তোমায় প্রিয়া।।
তুমি কত দূরে - আমায় একা করে....

নীরব দুপুরবেলায় আজও তোমায় ভেবে
চোখের জলে কেন আমার এবুক ভিজে...।।
তুমি জানো না বোঝ না কত দুঃখে,
মন মাঝে আমার আজও আগুন জ্বলে।।
তুমি কত দূরে - আমার একা করে...

পূবাল হাওয়া কোন বিকেল বেলায়
চেয়ে দূর দিগন্তে তোমারি প্রতীক্ষায়...।।
বসে থাকি আশায় দেখো মন ভাসে,
তুমি ছিলে শোভা আমার এই হৃদয়ে।।
তুমি কত দূরে - আমায় একা করে...

আমি গরীব ছিলাম তাই দুঃখ পেলাম
ভালোবাসার দামে কষ্ট কিনে নিলাম...।।
যেনো আর কিছু নেই ভালোবাসা বলে,
সবই ব্যর্থ আমার এখন টাকার কাছে।।
তুমি কত দূরে - আমায় একা করে....
......

বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০১৭

এ'বড় কষ্ট সাধন


মনের অমৃত রূপ ভালোবাসা স্বর্গীয় প্রেমে,
সুখস্বপ্ন ছায়া রূপেই বিচরণ মন থেকে মনে;
বড় কাঙ্ক্ষিত পাওয়া জোরে কভু না মিলে,
আত্মার আত্মীয় পাবে কেবলই ভালোবেসে।

ভালোবাসা! কারো আশা কারবা রয় দুরাশা,
কারো স্বপ্ন কারবা স্বপ্ন ভাঙার কঠিন খেলা;
কষ্টের ঢেউ চেপে বুকে হাসি মুখেই পথচলা,
শ্রাবণ চোখে প্রেম তুলিতে স্বপ্নের ছবি আঁকা।

ভালোবাসা এক অদৃশ্য বন্ধন হৃদয়ের সাথে,
শত কষ্ট শত বেদনায় এই বাঁধন নাহি টুটে;
ঝড়ঝাপটা কভু না ডরে রাখে প্রেম অন্তরে,
তাই তো পুড়ে মানুষের হৃদয় প্রেম আগুনে।

পুড়ে পুড়ে নাকি খাঁটি হয় প্রেম ভালোবাসা,
নিঃশেষ পরিণামে প্রেমই একটু বাঁচার আশা;
হৃদয় পোড়ায়ে প্রেমের নামে দুঃখকে পোষা;
দুঃখের সাগরে সুখ নামক বেলায় ভেসে চলা।

ভালোবেসে সুখ! হয়েছিল কি কোন কালে!!
সুখের আশায় ভালোবেসে অন্তর শুধুই পুড়ে,
সামান্য সুখ কিছু যদিও থাকে কষ্টের ভাঁজে;
এ'বড় কষ্ট সাধন দুঃখ জীবনের বাঁকে বাঁকে।

বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭

অন্তরে অসুখ

যে মুখে আমি দেখি অনন্ত পূর্ণিমা
হাসিতে ভরে ওঠে আমার দুকূল
ওচোখে কেবল প্রেম ভালোবাসা
নিত্য দেখেছি তাতে ছিল না ভুল।

হাসির শব্দে বয়ে যেতো ঝর্ণাধারা
মুখের মধু-শব্দমালায় ছড়াতে মায়া,
ভেসে ওঠতো চাঁদ ওই বাঁকা ঠোটে
আমার মন বাগানের সুবাসিত ফুল।

আজ তোমার মন আকাশ অশান্ত
সর্বত্রই যেনো ঘন মেঘ আর ঝঞ্ঝা
শ্রাবণ হয়ে ভাসাবে হৃদয়ের প্রান্ত
দেখে কেমনে রবে শান্ত মন মোর।

আজ স্তব্ধ চারিধার অতৃপ্ত ভাবনা
কেনো আজ ও'মনে এমন বিষণ্ণতা,
কেন'বা তোমার বুকে এমন দাহন
কিসের এত কষ্টে ভরা হৃদয় কোণ!

বিশ্বাস কর, তোমার চিন্তিত মুখ,
আকাশের মতো উদার চোখ দুটি
যখন দেখি স্থির করুণ সে চাহনি
বিস্মিত করে তুলে অন্তরে অসুখ।